শিরোমণি ডেস্ক রিপোর্ট : বিএনপির মধ্যে কোনো কর্মসূচি দিলে তা বাস্তবায়ন সম্ভব-এমন আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। একদফা দাবি আদায়ে ঢাকা ঘিরেই সাজানো হচ্ছে আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিকল্পনা। একদফা বাস্তবায়নের প্রথম কর্মসূচিতেও সেই ইঙ্গিত রয়েছে। দেশের অন্যান্য মহানগর ও জেলায় একদিন পদযাত্রা ঘোষণা করলেও ঢাকাতে তা দুদিন।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকাকে ইতিবাচক হিসাবে দেখছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তারা মনে করছেন, ভবিষ্যতে তাদের এমন আচরণ অব্যাহত থাকলে দাবি আদায়ের পথ অনেকটাই সুগম হবে। কারণ, এবারের আন্দোলন সফলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশ প্রশাসনকেই মূল বাধা হিসাবে দেখছেন তারা।
সমাবেশ সফল করায় মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং ঢাকা বিভাগের সব জেলার শীর্ষ দুই নেতাকে চিঠি দিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, একদফা দাবি আদায়ের বিকল্প কিছু ভাবছি না। এ লক্ষ্যে আমরা প্রাথমিক কর্মসূচি দিয়েছি। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের চাহিদা বিবেচনা করে আন্দোলনের গতি বাড়ানো হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এ আন্দোলনে এবার বিজয় আসবেই।
জানা গেছে, সমাবেশে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতির এ ধারা পরবর্তী কর্মসূচিতেও ধরে রাখতে চান বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। একদফা দাবি আদায়ে ১৮ ও ১৯ জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচিতে ব্যাপক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছে দলটি। ঢাকার কর্মসূচির দিকেই বেশি নজর দেওয়া হচ্ছে।
দলটির নীতিনির্ধারকরা জানান, আন্দোলনের সূতিকাগার হিসাবে পরিচিত ঢাকা ঘিরেই সরকার পতন আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। সরকারের পদত্যাগের একদফা ঘোষণা ও দাবি আদায়ে কর্মসূচি নিয়ে সমমনা দল ও জোটের সঙ্গে সিরিজ বৈঠক করে বিএনপি। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদেরও মতামত নেওয়া হয়। তাদের প্রায় সবাই ঢাকাকেন্দ্রিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।