শিরোমণি ডেস্ক : দেশের হাওর অঞ্চলের প্রায় সাড়ে ৮৬ শতাংশই গত ৩২ বছরে ভরাট হয়ে গেছে। এতে হাওরে বৃষ্টির পানিধারণের ক্ষমতা আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। ফলে এবার সিলেটসহ আশপাশে বন্যার ভয়াবহতা দেখা গেছে।বৃষ্টি হলে হাওর এলাকা অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে। এ ছাড়া হাওরের সঙ্গে নদ-নদীর সংযোগ থাকার কারণে প্রাকৃতিকভাবে হাওরের পানি নদীতে চলে যায়।বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের দুই শিক্ষার্থী ও ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইপিডি) করা এক যৌথ গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। বুয়েটের দুই গবেষক হলেন সদ্য পাস করা ইনজামামুল হক ও মারিয়া মেহরিন।আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে আইপিডি। এতে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি হাওর ভরাট হয়েছে ২০০০ থেকে ২০১৩ সাল নাগাদ। হাওরের বাকি অংশটুকু রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।সবচেয়ে বেশি হাওর ভরাট হয়েছে ২০০০ থেকে ২০১৩ সাল নাগাদ। হাওরের বাকি অংশটুকু রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।বাংলাদেশের হাওর এলাকার ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন–সংক্রান্ত এ গবেষণা অনুযায়ী, ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশে হাওরের মোট আয়তন ছিল প্রায় ৩ হাজার ৩৪ বর্গকিলোমিটার। ২০২০ সালে তা কমে হয়েছে প্রায় ৪০৬ বর্গকিলোমিটার। সে হিসাবে হাওর কমেছে প্রায় ৮৬ দশমিক ৬ শতাংশ।
Notifications